মেসির জাদুতে বার্সার জয়।

ম্যাচ জুড়ে অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে আক্রমণেও আধিপত্য করা বার্সেলোনা গোলের দেখা পাচ্ছিল না কিছুতেই। এমন অবস্থায় আবারও পার্থক্য গড়ে দিলেন লিওনেল মেসি। অধিনায়কের জোড়া গোলে এস্পানিওলকে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল এরনেস্তো ভালভেরদের দল।
মেসির জাদুতে বার্সার জয়।
মেসির জাদুতে বার্সার জয়।
কাম্প নউয়ে শনিবার স্থানীয় সময় বিকালে ২-০ গোলে জেতে বার্সেলোনা। ডিসেম্বরে দলটির মাঠে ৪-০ গোলে জিতেছিল এরনেস্তো ভাল ভেরদের দল।

ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে একচেটিয়া এগিয়ে থাকা বার্সেলোনা আক্রমণে সুবিধা করতে পারছিল না।

এরপরও ২১তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো স্বাগতিকরা। তবে ইভান রাকিতিচের জোরালো কোনাকুনি শট পোস্ট ঘেঁষে চলে যায়। আট মিনিট পর মেসির ফ্রি-কিক ঝাঁপিয়ে ঠেকান দারুণ খেলতে থাকা এস্পানিওল গোলরক্ষক।

বদলি নেমেই গোল পেয়ে যাচ্ছিলেন মালকম। মেসির রক্ষণ চেরা পাস থেকে তার কোনাকুনি শট ৬২তম মিনিটে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন গোলরক্ষক দিয়েগো লোপেস। পাঁচ মিনিট পর ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে হতাশ করেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো।

৭১তম মিনিটে অবশেষে মেসির দুর্দান্ত ফ্রি কিকে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে তাকে ফাউল করলেই ফ্রি-কিকটি পায় তারা। আর্জেন্টাইন তারকার শট রক্ষণ প্রাচীরের উপর দিয়ে গিয়ে বাঁক খেয়ে জালে ঢুকতে যাচ্ছিল। বলের লাইনেই ছিলেন মিডফিল্ডার ভিক্তর সানচেস, হেডে ফেরাতে চেয়েছিলেন তিনি; কিন্তু উল্টো বল ভিতরে ঢুকে যায়। চলতি লিগে এই নিয়ে পাঁচটি গোল সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে করলেন মেসি।

৮১তম মিনিটে প্রতি-আক্রমণে ডি-বক্সে ঢুকে গোলমুখে সতীর্থকে বল বাড়ান ফরোয়ার্ড সের্হিও গার্সিয়া। দারুণভাবে স্লাইড করে বল আটকান ক্লেমোঁ লংলে।

৮৯তম মিনিটে দারুণ এক প্রতি-আক্রমণে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেসি। মাঝমাঠের আগে থেকে ক্রোয়াট মিডফিল্ডার রাকিতিচের লম্বা করে বাড়ানো থ্রু বল ধরে বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে কাটব্যাক করেন।

ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মালকম। প্রথম ছোঁয়ায় নিচু শটে বল ঠিকানায় পাঠান পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসির এটা ৩১তম গোল।

যোগ করা সময়ে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষের ট্যাকলে পড়ে গিয়ে মেজাজ হারিয়ে ওই খেলোয়াড়কে লাথি মেরে বসেন মেসি। ভাগ্য ভালো তার, রেফারি কোনো কার্ড দেখাননি।

২৯ ম্যাচে ২১ জয় ও ছয় ড্রয়ে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৬৯। ১৩ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে এক ম্যাচ কম খেলা আতলেতিকো মাদ্রিদ। তৃতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৫৪।
Previous
Next Post »