পান্তা ভাতের পুষ্টিগুন।

Panta its nutrition quality

একপাশে পেঁয়াজের একটা টুকরা, গোটা তিনেক
কাঁচা মরিচ কিংবা শুকনা মরিচ পোড়া , একটু লবণ আর থালা ভর্তি পান্তাভাত। এই ছিল একটা সময় বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের সকালের নাস্তা। আগের রাতে পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা এই ভাত
খেয়েই মাঠে কিংবা হাটে ছুটে যেতেন পরিশ্রমী মানুষগুলো। এক সময় নিত্য দিনের চিত্র হলেও বর্তমানে পান্তাভাত খায় মানুষ সখ করে।

পান্তা ভাতের পুষ্টিগুন, পহেলা বৈশাখ,
পান্তা ভাত

বিশেষ করে পহেলা বৈশাখ এলেই মনে পড়ে পান্তা ভাতের কথা।

উপকারিতা: গরম ভাতের চেয়ে পান্তাভাতের পুষ্টি
গুণ বেশি। এতে অনেক বেশি আয়রন, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। আর তাই শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে পান্তাভাতের জুড়ি নেই। আর এতে উন্নত মানের কার্বোহাইড্রেড থাকায় সেটিও শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক।

রক্তস্বল্পতায় উপকার: পান্তাভাতে সোডিয়াম এর পরিমাণ কমে যায়। স্বাস্থ্যের জন্য যা অশেষ উপকারী। এছাড়াও রক্তস্বল্পতায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য পান্তাভাত অশেষ উপকারী খাবার।

দ্রুত হজমে সহায়ক: পান্তাভাত দ্রুত হজম হয়। তবে বেশি লবণ নিয়ে পান্তাভাত খাওয়া উচিত নয়। এতে এর গুণাগুণ হ্রাস পায়।

পানিশূন্যতা রোধে সহায়ক: শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে বাঁচাতে পান্তাভাত বেশ কার্যকরী । প্রচণ্ড গরমে সান- স্ট্রোক কিংবা হিট স্ট্রোকের হাত থেকে শরীরকে সজীব রাখে পান্তাভাত। পান্তা ভাতের নানা ধরনের উপকার থাকলেও ‘গরম গরম’ পান্তাভাত খেলে এত
সব উপকারের কোনটিই পাওয়া যাবে না। গবেষকদের মতে, পান্তাভাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলে গাজন প্রক্রিয়ায় পুষ্টিগুণ বাড়তে ১২ ঘন্টা সময় লাগে।

More...
Previous
Next Post »