তেঁতুল খাওয়ার নিয়ম, তেঁতুলের উপকারীতা, তেঁতুল খাওয়ার অপকারিতা।

তেঁতুল খাওয়ার নিয়ম, তেঁতুলের উপকারীতা, তেঁতুল খাওয়ার অপকারিতা।তেতুল খাওয়ার নিয়ম, কাঁচা তেতুলের উপকারিতা, তেতুল খাওয়ার অপকারিতা, তেতুলের বিচির গুড়ার উপকারিতা, তেতুলের ক্ষতিকর দিক, তেতুল বীজ, তেতুলের শরবত,
তেঁতুল


তেঁতুল খাওয়ার নিয়ম
দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে ত্বকের পরিচর্যায় এবং
শারীরিক উন্নতিতে রোগ মুক্ত সুস্থ শরীর পেতে
হলে সপ্তাহে কম করে তিন থেকে চার দিন তেঁতুল
খান উপকৃত হবেন।

তেঁতুলের উপকারিতা
১. দেহের অন্দরে প্রদাহ কমায়:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে শরীরের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বাড়তে শুরু করলে ধীরে ধীরে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের উপরই খারাপ প্রভাব পরতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানা রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধে, সেই সঙ্গে জয়েন্টের সচলতা কমে যাওয়ার কারণে নড়াচড়া করার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দেয়। আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হল শরীরে প্রদাহের মাত্রা বাড়ছে কিনা, তা আগে থেকে জানা সম্ভব নয়, তাই তো নিয়মিত তেঁতুল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। কারণ এই ফলটি রোজ ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করলে ইনফ্লেমেশন বাড়ার কোন আশঙ্কাই থাকেনা। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই রোগ ভোগের আশঙ্কা হ্রাস।

২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখে:
সরাসরি না হলেও প্ররোক্ষভাবে রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেঁতুল দারুনভাবে কাজে এসে থাকে। আসলে এই ফলটিতে উপস্থতি বেশ কিছু এনজাইম, কার্বোহাইড্রেটের
শোষণ মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফল ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
এখন প্রশ্ন করতে পারেন কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে সুগারের কী সম্পর্ক? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শরীরে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা বাড়তে থাকলে নানা কারণে রক্তে শর্করার মাত্রাও বৃদ্ধি
পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেই কারণেই তো অনিয়ন্ত্রত মাত্রায় সমৃদ্ধ খাবার খেতে মানা করেন চিকিৎসকেরা।

৩. নার্ভের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
বি কমপ্লেক্স হল এমন ভিটামিন, যা ব্রেন ফাংশনের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই ভিটামিনটি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র নার্ভ সেলের শক্তি বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কগনেটিভ ফাংশনে উন্নতি ঘটে। বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তিও বাড়তে শুরু করে। প্রসঙ্গত, তেঁতুলে বি কমপ্লেক্স ভিটামনিটি রয়েছে প্রচুর মাত্রায়। তাই তো
পড়াশোনা হোক কী কর্মজীবন, যে কোনও ফিল্ডে যদি উন্নতি করতে হয় তাহলে তেঁতুল খাওয়া আবশ্যক।

৪. হার্ট মজবুত হয়:
একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে তেঁতুলের অন্দরে থাকা একাদিক ভিটামিন এবং খনিজ ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্তে উপস্থিত বাজে
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে হার্টের কর্মক্ষমতা কমাতে ব্লাড প্রেসার এবং কোলেস্টেরল কোনও খামতিই
রাখে না। তাই শরীর যখন এই দুই ক্ষতিকর রোগ থেকে দূরে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটার কোনও সুয়োগ থাকে না।

৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে:
স্ট্রেস, পরিবেশ দূষণ এবং অতি বেগুনি রশ্মির মারাত্মক প্রভাবের কারণে সবারই সৌন্দর্য কম বেশি কমে যেতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে স্কিন টোনকে ধরে রাখতে এবং ত্বককে নরম এবং
প্রাণচ্ছ্বল বানাতে তেঁতুলের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। এই কারণেই তো নিয়মিত তেঁতুল দিয়ে বানানো ফেস প্যাক মুখে লাগানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এখন প্রশ্ন হল ফ্য়াস প্যাকটি বানাবেন কীভাবে? এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো তেঁতুলের সঙ্গে গরম জল এবং হাফ চামচ হলুদ মিশিয়ে বানাতে হবে ফেস প্যাকটি।
তেঁতুল খাওয়ার অপকারিতা
তেঁতুল খেলে ক্ষতি হয়, তেঁতুল খেলে রক্ত
পানি হয়ে যায়। এসব আদ্যপান্ত ঘাটতে
গিয়ে সেরকম কিছুই পাওয়া যায়নি। বরং
তেঁতুল বিভিন্নভাবে উপকার করে।
Previous
Next Post »