ইসবগুলের ভুষির উপকারীতা

ইসবগুলের ভুষির উপকারীতা

ইসবগুলের ভুষির উপকারীতা আমাদের সকলের প্রিয় পরিচিত অর্থ এটি আমাদের বাংলাদেশ, ভারত শহর, সহ অনেক দেশেই বেশ পরিচিত।

আমাদের অভ্যন্তরীণ পাচন তন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া প্রতিকারের জন্য অনেক উপকারী।

জেনে নিন ইসবগুলের ভুষির উপকারীতা

১। ইসবগুলের ভুষিতে অ্যামিনো এসিড এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি আমাদের কনস্টিপেসন কমায় । তাই কনস্টিপেশনের সমস্যার কারণে যাদের প্রতিদিনের সকালটা অনেক কষ্টের হয় তাদের জন্য ইসবগুলের ভুষি হতে পারে দারূন এবং সবচেয়ে ভালো ঘরোয়া সমাধান।

২। আমাদের উচ্চ কিংবা নিম্ন যেকোনো রক্তচাপ কমাতে ইসবগুলের ভুষি অনেক কার্যকর। এতে থাকা পটাসিয়াম আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
এছাড়াও আমাদের রক্তে মিশে থাকা খারাপ কোলেস্টরল শোষণ করে আমাদের হার্টকে ভালো 
রাখে ইসবগুলের ভুষি।

৩। আমাদের অনেকেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে। আর এই অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করতে ইসবগুলের ভুষির তুলনা নেই। ইসবগুলের ভুষি খেলে আমাদের পাকস্থলীর দেয়ালে একটি প্রতিরক্ষা স্তর তৈরি করে। যা আমাদের অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে আমাদের পাকস্থলিকে রক্ষা করে এবং হজমে সহায়ক বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে থাকে। আর এতেই অ্যাসিডিটি কমে যায় এবং হজম শক্তি ভালো হয়।

৪। আপনার যদি অতিরিক্ত ওজনের চিন্তা থাকে তাহলে ইসবগুলের ভুষি হতে পারে আপনার জন্য দারূন একটি সমাধান।

কারণ ইসবগুলের ভুষিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই ফাইবার দীর্ঘক্ষন আমাদের পেট ভরিয়ে রাখে। তাই এটি খেলে আমাদের বার বার খাওয়ার আগ্রহ কমে যায় । আর এইভাবেই এটি আমাদের
অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহন থেকে আমাদের বিরত রেখে আমাদের অতিরিক্ত ওজনের চিন্তা কমিয়ে দেয়।

৫। যাদের ডায়েবেটিস আছে তাদের জন্য ইসবগুলের ভুষি খুবই উপকারী। এটি খাওয়ার পর আমাদের পাকস্থলীতে জেলীর মত রূপ ধারণ করে। এর ফলে আমাদের গ্লুকোজের ভাঙ্গন এবং শোষণ গতি অনেক কমিয়ে দেয়। এতেই আমাদের ডায়েবেটিস অনেক নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৬। প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবনীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবারে ভরপুর ইসবগুলের ভুষি নিয়মিত খেলে আমাদের পাইলস বা পায়পথের ফাটল্লের মত বেদনাদায়ক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এটি আমাদের পেটকে সম্পূর্ণ পরিস্কারয়করে, মল নরম করে এবং আমাদের অন্ত্রের পানি শোষণয়করার মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণ ব্যাথা মুক্ত অবস্থায় তা শরীরয় থেকে বের করে দেয়।
Previous
Next Post »