Romantic Story Time Romance Tale

Romantic Story Time Romance Tale
Time

ক্লাস সেভেনে পড়ে চিৎকার করে ভালোবাসি বলতে পারা যে মেয়েটা তার তথাকথিত প্রেমিকের নাম ব্লেডের কোণা দিয়ে নিজের হাতে ফুটিয়ে তুলতো, সে মেয়েটাও ব্রেকআপের দুই বছর পর নিজের পাগলামির কথা মনে করে নির্জনে হাসবে, লজ্জা পাবে।

কলেজের প্যান্ট শার্ট পড়ে আধুনিকা সেজে থাকা যে মেয়েটা কখনো এক গ্লাস পানি নিজে হাতে নিয়ে খায়নি, সেও এখন কোমরে আঁচল গুঁজে দশ বারো জনের রান্না একাই রাঁধতে জানে। প্রায় সকালেই তার ঘর্মাক্ত কপালে আটার গুঁড়ো লেগে থাকতে দেখা যায়।

ভার্সিটি লাইফে যে পরিচিত ছিল রকস্টার
বলে, সেও এখন ইস্ত্রি করা শার্ট প্যান্ট পড়ে, গলায় টাই ঝুলিয়ে, হাতে সার্টিফিকেটের মোটা মোটা ফাইল নিয়ে চাকরির বাজারে হন্যে হয়ে ঘুরে ফেরে।

প্রেমিকার হঠাৎ চলে যাওয়াতে যে ছেলেটা নিজের জীবন শেষ করে দেবে ভেবেছিলো, সে এখন একজন সফল উদ্যোক্তা। তার অধীনে অনেক যুবক এখন আর কাওকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে।

যে মেয়েটা তার প্রেমিককে সারা জীবন একসাথে 
চলার স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেও এখন অন্য বাড়ির বৌ, মা কিংবা সুগৃহিনী। অতীতের কথা তার আর মনেই পড়ে না।
সময় তার চলার পথে আশেপাশের সব
কিছুকে বদলাতে বদলাতে যায়। একমাত্র সময়ই আপনার সাথে কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করবে না।

জীবনে একদিন তো আপনাকে পেছনে ঘুরে তাকাতেই হবে। সেদিন বুঝবেন, যেসব বিষয় গুলোকে একসময় অনেক বেশি গুরুত্ব দিতেন, সেগুলো আসলে ভীষণ রকমের অদরকারী আর গুরুত্বহীন বিষয় ছিলো।

তাই দিনশেষে গুরুত্ব দিন নিজেকে, নিজের সাথে নিজের সম্পর্ককে। সময় সাক্ষী থাকলো, অনেক বেশি সুখে থাকবেন।
(সমাপ্তি)

Previous
Next Post »