Koster Kotha - জীবনে চলার পথে কিছু উপদেশ - Life Quotes ~ WriterMosharef

Koster Kotha - জীবনে চলার পথে কিছু উপদেশ - Life Quotes

 


লাইট অফ করে চোখের পানি ফেলে বালিশ ভেজানোর নাম জীবন না, সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করার নাম জীবন না, দাঁত ভাঙা জবাব দেয়ার হিম্মত রাখুন বুকে। দাঁতে দাঁত চেপে জেদ নিয়ে চলার নামই জীবন।


শচীন টেন্ডুলকার ক্লাস টেন এ ইংরেজিতে ফেল করেছিলেন। আর এখন ইন্ডিয়ার ক্লাস টেন এর ইংরেজি বইতে প্রথম চাপ্টারই টেন্ডুলকারের জীবনী। 


পেছনে যখন পাগলা কুকুর কিংবা হিংস্র বাঘ অথবা বিষাক্ত সাপ আপনাকে তাড়া করে তখন আপনি কী চিন্তা করেন?


 আপনি কি একবারও ভাবেন এর আগে কেউ কি এদের কাছ থেকে পালাতে পেরেছে কিনা, কিংবা আমি এদের সাথে পারব কিনা! না বস, এসব ভাবনার টাইম কোথায়? ঐ অবস্থায় আপনি ডাইরেক্ট দৌঁড় শুরু করবেন। 

 

আমার কী হবে ভাবতে ভাবতে আপনার দিনের অর্ধেক চলে যায়। আমাকে দিয়ে কিছু হবে না চিন্তা করতে করতে আপনার রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে যায়।


দিনশেষে নিজেকে নিজে কিছুই উপহার দিতে পারেন না।


যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে জর্জ ক্রাম নামের এক বাবুর্চি একটি রিসোর্টে কাজ করতেন। একদিন ভুলবশত তার তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আলু বেশ পাতলা হয়ে গিয়েছিল। সেই রিসোর্টের এক অতিথি এটা খাবার অযোগ্য বলে তাকে চরম অপমান করলেন সবার সামনেই। ক্রাম খুব কষ্ট পেয়ে চোখ মুছলেন।


এরকম অপমানিত হওয়ার পর আপনি কী করতেন?


কিন্তু সেই বাবুর্চি সেই অপমান আর দুর্ব্যবহার এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দিলেন সেই পাতলা আলুর তৈরী পটেটো চিপস বানিয়ে, যা আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ খেতে থাকে।


ভাঙা সিন্দুকে কেউ টাকা রাখে না। ব্যর্থ কিংবা

দুর্বল লোকের সাথে কেউ সম্পর্ক গড়ে না৷ মানুষ সফল লোকের শালা হতেও রাজি কিন্তু ব্যর্থ লোকের দুলাভাইও কেউ হতে চায় না এটাই বাস্তবতা।


ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় জ্বালা হচ্ছে, একজন অযোগ্য লোকও আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, স্বয়ং পথভ্রষ্ট নিজেও আপনার পথের ভুল ধরিয়ে দিতে আসবে।


এমনকি ব্যর্থ লোকটিও আপনাকে সফলতার পথ দেখাতে চাইবে।


জীবনে সার্টিফিকেট চোখে না দেখা লোকটিও আপনার সার্টিফিকেট নিয়ে তামাশা করবে। তখন মনে হবে মাটির নিচে ঢুকে যেতে, কখনো কখনো ইচ্ছে হবে মরে যেতে।


একজীবনে আপনি কিছু করতে না পারার জন্য কত অজুহাত জমা দিয়েছেন। অসুস্থ অবস্থায় যখন আপনি বিছানা থেকে মাথাও তুলতে পারছেন না, ঠিক ঐ মুহুর্তে যদি আপনার বিছানায় একটা বিষাক্ত সাপ ছেড়ে দেয়া হয়, আমি নিশ্চিত তখন আপনি এমন দৌঁড় দিবেন স্বয়ং সুস্থ মানুষও আপনার সাথে দৌঁড়ে পারবে না।


অথচ একটু আগে আপনি বিছানা থেকে মাথাও তুলতে পারছিলেন না। এটাকে বলে প্রায়োরিটি।


যার প্রায়োরিটি ম্যানেজমেন্ট যত স্ট্রং সে তত এগিয়ে থাকে লাইফে। ইমোশনাল পাবলিকগুলো লাইফে আসলেই বেশি কিছু করতে পারেনা।


মোবাইলে কতটা গেম খেলে আপনি কত হাই স্কোর করেছেন কিংবা কতবার জিতেছেন এটা আপনার টোটাল লাইফে কোনো কাজেই আসবেনা।


ফেসবুকের প্রোফাইল পিক-এ সর্বোচ্চ কতটা লাইক আপনার পড়েছে এটা কি ইন্টারভিউ বোর্ড কখনো জানতে চেয়েছে?


কতজন আপনার স্ট্যাটাসে হাহা রিয়াক্ট দিয়েছে এটা নিয়ে কি কারো ক্যারিয়ারের বারোটা বেজেছে নাকি চাকরি চলে গেছে?


কত দামি সেট আপনি ইউজ করেন এটা কেউ কখনো জানতে চেয়েছে?


দামি ব্র‍্যান্ডের সেট দিয়ে কল করলেই কি দামি মানুষগুলো রিসিভ করবে?


সবকিছুর জন্য যোগ্যতা দরকার। ঐ যে বললাম ভাঙা সিন্দুকে কেউ টাকা রাখেনা।

Previous
Next Post »