মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের কষ্টের কথা ~ WriterMosharef

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের কষ্টের কথা

 


একটি মধ্যবিত্ত ঘরের সৃজনশীল ছেলে জানে,

যে কাজের প্ল্যান সে করেছে সে কাজের ফলাফল খুব ভালো হবে।


মাত্র ২-৩ লক্ষ টাকা ইনভেস্টমেন্টে ভাগ্য ঘুরে যেতে পারে এবং ভাগ্য ফেরানোর মত বুদ্ধিমত্তাও থাকে।


তবে পিছিয়ে পড়ে শুধু বাবা’র ঔষধ কেনার টাকা আর সংসারের চাউল কেনার ভারে।


যে সংসারের জন্য চাউল কেনার টাকা তাকেই ব্যবস্থা করতে হয়। সেই সংসার থেকে অন্তত লক্ষ টাকা পাবার আশা করা যায় না। তাই সে নিজের মেধা খুবই সস্তায় বিক্রী করে বসে থাকে।


উপায় একটা আছে, “ঋন” ঋণের বাজার সম্পর্কে সবাই জানেন, ঋণের টাকায় যতটা সফলতা আসে তার চেয়ে বেশি আসে চিন্তা, স্নায়ুবিক দুর্বলতা বাড়ে।


এখন কেউ তো আর হাতে দু’লাখ টাকা দিয়ে বলবে না লে সিমসিম জি লে আপনা জিন্দেগী।


এ দেশে অনেক শিল্পপতি আছেন যাদের ২-৩ লক্ষ টাকা হয়তো একদিনেই খরচ হয়ে যায়।


যদি সঠিক যুবকের হাতে আপনার একদিনের খরচের টাকা পড়ে তাহলে হয়তো সে তার ভাগ্যের চাকার রং টা পাল্টে ফেলতে পারবে।


ট্যালেন্টের কদর খুবই দরকার। নাহলে যে ভাগ্যের চাপে একটি লাশ ছাড়া আর কিছু পাওয়া যাবে না।


চমৎকার বিষয় যখন আপনার এই টাকার আর দরকার হবে না। তখন হাজারো মানুষ পেয়ে যাবে আপনাকে সহযোগীতা করার মত।


কিন্তু, বর্তমানে স্বপ্নের বাস্তবায়নে কোন সহযোগীতা আপনি পাবেন না। কারণ, হাওয়াই চটি পরা ছেলে গুলোকে সত্যিই কেউ ভ্যালু দেয় না।


তার বুদ্ধি দিয়ে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীর যেকোন একটা সেক্টর উঠে যাবে। তবে সে নিজে সারাজীবন ডেবেই থাকবে।

Previous
Next Post »